
মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী ফখরুল ইসলামকে এক বছরের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। সাকা চৌধুরীর রায়ের খসড়া ফাঁসের মামলায় তাঁকে এ জামিন দেওয়া হয়।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন।
আদালতে ফখরুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও সগীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।
সগীর হোসেন জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচার চেম্বার থেকে ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সালাউদ্দিনের স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন এবং সংবাদকর্মীদের রায়ের খসড়া কপি দেখান।
এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে ২ অক্টোবর তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৭ ও ৬৩ ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। পরবর্তীতে এ মামলায় গ্রেপ্তার ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন ও ফারুক রায়ের খসড়া ফাঁসের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট সাকা চৌধুরীর স্ত্রীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন।
আদালতে ফখরুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও সগীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।
সগীর হোসেন জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচার চেম্বার থেকে ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সালাউদ্দিনের স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন এবং সংবাদকর্মীদের রায়ের খসড়া কপি দেখান।
এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে ২ অক্টোবর তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৭ ও ৬৩ ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। পরবর্তীতে এ মামলায় গ্রেপ্তার ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন ও ফারুক রায়ের খসড়া ফাঁসের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট সাকা চৌধুরীর স্ত্রীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।